চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বৈষম্য করে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে: সাদিক কায়েম

চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বৈষম্য করে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে: সাদিক কায়েম

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা ও ‘ভেরিফিকেশন’-এর নামে বৈষম্য তৈরির অভিযোগ তুলে বিএনপি সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে একের পর এক বৈষম্য করার ফলে বিএনপি আজ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাদের রাজনৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে।

৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট থেকে ৫৭ জন প্রার্থীর নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তাঁরা এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি কলাভবন ও মধুর ক্যান্টিন ঘুরে ডাকসু ভবনের সামনে এসে সমাবেশে রূপ নেয়। সেখান থেকে চাকরিতে দলীয়করণ বন্ধ এবং বাদ পড়া ৫৭ জন প্রার্থীকে আগামী ১২ অক্টোবর যোগদানের আগেই চূড়ান্ত গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, সংবিধানের ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী মতের শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে সতর্ক করে তিনি বলেন, মেধা ধ্বংসের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে অতীতের শাসনব্যবস্থার মতোই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। একই সঙ্গে ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহা. মহিউদ্দিন খানও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।

সমাবেশে ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও চূড়ান্ত গেজেট থেকে বাদ পড়া কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, পরীক্ষায় শীর্ষ স্থান অর্জন করা সত্ত্বেও কেবল পারিবারিক বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিহীন অজুহাতে তাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে। ১২ অক্টোবরের আগে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গেজেট প্রকাশের দাবি জানান তাঁরা।